
এদিকে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মঙ্গলবার দাবি করে, তারা মার্কিন আগ্রাসনের জবাবে জর্দানে একটি মার্কিন বিমানঘাঁটি ও কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
এদিকে ফার্স নিউজের খবরে বলা হয়, কেশমের চাহ তাঙ্গু এলাকায় একটি আবাসিক বাড়িতে হামলায় বাবা, মা ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান নিহত হয়েছেন।
সংঘাতের মধ্যে মিসরও নতুন করে উত্তেজনার মুখে পড়েছে। দেশটির সরকার জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার একটি বন্দরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ড্রোন হামলার কারণে ঘটেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস বলছে, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্পকে জানানো হয়েছে। সৌদি আরব আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে আগ্রহী।
এর আগে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ইরাকে যৌথ বিমান হামলা চালায়। এতে ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) জানিয়েছে, তাদের অন্তত ২০ সদস্য নিহত হয়েছেন। যদিও ইরাকের প্রেসিডেন্সি এই হামলাকে দেশটির সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছে।
তবে ট্রাম্পের দাবি, হামলাটি ইরাকি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই চালানো হয়েছে।