কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা পৌরসভার সাবেক মেয়র জনাব মোঃ আনারুল কবির (টুটুল)এর ওপর গত ২৪/ ৭ ২০২৬ রোজ শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১:৩০ মিনিটে চিহ্নিত কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের দ্বারা অতর্কিত হামলার শিকার হন।
বিপ্লবী সাংবাদিক মোঃ আমির হোসেন ভুক্তভোগীর কাছে ঘটনার বিবরণ জানতে চাইলে ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ পাঠ করে শোনান,
প্রিয় পৌরবাসী,
আমাকে গত ২৪/৭/২৬ ইং তারিখ আনুমানিক রাত্রি এগারোটা ৩০ মিনিটে আমি আমার বাসায় যাওয়ার পথে এস ডি টাওয়ারে সামনে আমার ওপর অতর্কিত হামলা করে হত্যার উদ্দেশ্যে। @
মোঃ সোহাগ(কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব) পিতা: ট্যাংরা মেম্বার সাাং নওদাপাড়া, মোঃ সিজার পিতা: মৃত সিদ্দিক মৌহরি, সাং চাদগ্রাম, খোকন নেংরা নওদাপাড়া পিতা অজানা, রুম্মন, রুমন, সর্বসাং ভেড়ামারা কুষ্টিয়া, সন্ত্রাসী গ্রুপ আমাকে পিসতল দিয়ে গুলি করে, আমি আত্মরক্ষা করতে গেলে সিজার চাপাটি দিয়ে কোব দেয়। আমার সাথে দুলাল চাচা, নুরু ভাই ছিলেন। তারাও আহত।
এই একই গ্রুপ জাসদ ছাত্রলীগের তুষারকে হত্যা করেছে এবং পৌর এলাকায় চাদাবাজি, অস্ত্রবাজী ও গুপ্ত হত্যর সাথে জরিত।
বর্তমান সরকারের ব্যারিস্টার রগিব রৌফর চৌধুরীর চত্রছায়ায় ভেড়ামারায় সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে অত্যাচার করে চলেছে সোহাগ ও হাদি অস্ত্র, মাদক চাদাবাজী খুন জখমের মতন নিকৃষ্ট কার্ম কান্ড করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে, পূর্বে আওয়ামী লীগের সময়ে কোন এক প্রভাবশালী নেতার ভাগনার পোষা কুত্তা ছিল।
এরাই গুপ্ত, এদেরকে চিহ্নিত করে এ সমাজ থেকে বিতাড়িত না করতে পারলে আমি আপনি কেউ নিরাপদ না। আজ আমার জীবন বেচে গেছে আগামীকাল হয়ত আপনি এদের হাত থেকে রেহায় পাবেন না।
তাই পৌরসভার প্রতিটি মহল্লায় সন্রাস বাদের বিরুদ্ধে রুখে দারাতে হবে।
আমি আল্লাহর রহমতে সুস্থ আছি। এদেশে আইনের শাসন না থাকায় এধরনের দুরবিত্তায়ন মব চলছে। পতিবন্ধী প্রশাসনের প্রতি আমাদের আর আস্থা নায় তাই জনতার আদালতে বিচার দিলাম। আশাকরি সুবিচার পাব।