শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বর্তমান উন্নয়ন চিত্র, স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জনগণের ন্যায্য অধিকার এবং চলমান সমসাময়িক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে খোলামেলা ও তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন, শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ সফিকুর রহমান কিরনের স্নেহভাজন, নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, সাবেক ছাত্রনেতা ও যুবনেতা ফরিদ আহমেদ রয়েল মাঝি।
তিনি বলেন, একটি এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব হয় যখন জনগণের মতামতকে মূল্যায়ন করে তাদের চাহিদা অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। নড়িয়া উপজেলার উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি মনে করেন, উন্নয়ন শুধুমাত্র অবকাঠামোগত নয়, বরং মানুষের জীবনমানের সামগ্রিক পরিবর্তনই প্রকৃত উন্নয়নের মাপকাঠি।
ফরিদ আহমেদ রয়েল মাঝি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে হলে দায়িত্বশীল, জনবান্ধব এবং সেবামূলক রাজনীতির বিকল্প নেই। রাজনীতি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের মাধ্যম নয়; বরং এটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী হাতিয়ার।
তিনি রাজনৈতিক কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দলীয় ঐক্য, শৃঙ্খলা ও জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমেই একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, নড়িয়ার সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমুক্ত রাখা, শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্বকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি স্থানীয় জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের কল্যাণে কাজ করাই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
তিনি শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ সফিকুর রহমান কিরনের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার আহ্বান জানান।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ফরিদ আহমেদ রয়েল মাঝির এই বক্তব্য নড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উন্নয়ন ও জনস্বার্থকে কেন্দ্র করে তার এই অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।