গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ফজলুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চলমান আইনি জটিলতার পর অবশেষে হাইকোর্টের নির্দেশনা ও সরকারি আইন কর্মকর্তার আইনি মতামতের ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মৃণাল কান্তি রায়। জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব নিয়ে আব্দুর রহিম মিয়া ও মৃণাল কান্তি রায়ের মধ্যে বিরোধের জেরে হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং ৬৪৫৮/২০২০, ৬১৩৪/২০২৪ ও ৬৮৩৪/২০২৪ দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশনার আলোকে মৃণাল কান্তি রায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের লক্ষ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট আবেদন করেন। আবেদনের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি আইনগতভাবে নিষ্পত্তির জন্য গাইবান্ধা জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদের নিকট আইনি মতামত চান। সকল নথিপত্র ও আদালতের আদেশ পর্যালোচনা শেষে গত ২২ জুন স্মারক নং জে/বা/এ্যা/গাই-২০২৬(১)/২৬ মূলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি আইনি মতামত দাখিল করেন তিনি। ওই আইনি মতামতের ভিত্তিতে গত ২২ জুন মৃণাল কান্তি রায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। ২৮ জুন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে চন্ডিপুর ফজলুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চন্ডিপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক, বিএনপি নেতা রেজাউল, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এম. এ. মালেক মিয়াসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। তারা নবদায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে শুভেচ্ছা জানান এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দাবি,আদালতের নির্দেশনা ও সরকারি আইন কর্মকর্তার আইনি মতামতের আলোকে এ দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অনিশ্চয়তার অবসান ঘটেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।