চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বিশিষ্ট সমাজকর্মী মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে জনকল্যাণমূলক ও সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় সরকারি স্বীকৃতি পেয়েছেন। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের দোহাজারী সড়ক উপ-বিভাগ কার্যালয় থেকে তাকে একটি বিশেষ প্রত্যয়নপত্র প্রদান করা হয়েছে।
গত ১৮ জুন ২০২৬ তারিখে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আব্দুল্লাহ আল নোমান পারভেজ স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়, মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের আওতাধীন পটিয়া-আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং আঞ্চলিক মহাসড়ক (আর-১৭০)-এর বাঁশখালী অংশে বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ করে প্রশংসিত হয়েছেন।
প্রত্যয়নপত্রে আরও বলা হয়, তিনি মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ফুটপাত প্রশস্তকরণ, ফুটপাতে মাটি ভরাট, জঙ্গল পরিষ্কার, ঝুঁকিপূর্ণ গাছ অপসারণ, বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তর কাজে সহযোগিতা, পানি চলাচলের নালা খনন ও পরিষ্কার, কালভার্ট সংলগ্ন এলাকায় মাটির বস্তা দিয়ে ভাঙন প্রতিরোধ এবং পরিবেশবান্ধব বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। এছাড়া ফুটপাত দখলমুক্তকরণসহ বিভিন্ন জনস্বার্থমূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন।
বাঁশখালীর কাথরিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কাথরিয়া ডিগ্রি পাড়ার বাসিন্দা মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন কেবল সড়ক উন্নয়ন নয়, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও নিয়মিত স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত।
সওজ বিভাগের প্রত্যয়নপত্রে তার সামাজিক দায়িত্ববোধ, জনকল্যাণে নিষ্ঠা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার ভবিষ্যৎ সাফল্য ও কল্যাণ কামনা করা হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, ব্যক্তি উদ্যোগে জনস্বার্থে কাজ করা এবং সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার মাধ্যমে মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন সমাজসেবার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার এই স্বীকৃতি সমাজের অন্যদেরও জনকল্যাণমূলক কাজে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।