মানুষ কতটা নিচে নামতে পারে তার বাস্তব দৃষ্টান্ত গরম কড়াইয়ের ছ্যাঁক শতাধিক বার কান ধরে উঠবস সহ ও পাশবিক নির্যাতন গৃহকর্মীর উপর, অভিযোগ খুলনায় পুলিশ দম্পতি বিরুদ্ধে। ঘটনার সরজমিনে গিয়ে জানতে পারা যায় খুলনা সোনাডাঙ্গা থানার পাশে বউবাজারে একটি ভাড়া বাসায় মা বাবা হারা গৃহকর্মী মিলনের উপর এ অমানবিক নির্যাতনে ঘটনা ঘটেছে। বাসার মালিক খুলনা সোনাডাঙ্গা থানার কর্তব্যরত এস আই সঞ্জয় মিত্র এবং তার স্ত্রী পাপি মিত্র এমন জঘন্য অপরাধ দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় দীর্ঘদিন ধরে ওই পরিবারে গৃহকর্মীর কাজ করতেন মিলন। প্রতিদিনের ন্যায় বাসা বাড়ির রান্নার কাজ করতে গিয়ে তরকারি পুড়ে যায় এরপরেই নেমে আসে মিলনের উপর ভয়ংকর নির্যাতন। গরম কড়াই তার মুখের উপর চেপে ধরে সঞ্জয় ও তার স্ত্রী, মিলনের চিৎকারের শব্দ শুনে পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে এমন জঘন্য ঘটনা দেখতে পান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী জানান প্রতিনিয়ত বারান্দায় মিলনকে দাঁড় করিয়ে শতাধিকবারের বেশি কান ধরে ওঠ বস করাতেন সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী।ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা এগিয়ে এসে মিলনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তার চেহারায় অসহায়ত্ব শরীরে নির্যাতনের ছাপ,দৃশ্যটি দেখে হতবাক হয়ে যায়। মানুষ এত অমানুষ হয় কিভাবে একটাই প্রশ্ন সবার! এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর খুলনা বউবাজার এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও রাগের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী, পাশাপাশি অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন তদন্ত করা হচ্ছে, সঠিক সত্যতা ও যথাযথ প্রমাণ পেলে অপরাধীকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।নাগরিক সমাজের নেতারা বলেছেন অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক।