পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ৭নং বাদিয়াখালী ইউনিয়নে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ৯টি ওয়ার্ডে মোট ২ হাজার ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) বাদিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে একটি নারিকেল গাছের চারা ও একটি কাঁঠাল গাছের রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী দিনে প্রায় ৩০০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়। কর্মসূচির আওতায় আম, কাঁঠাল, নারিকেল, মেহগনি, জলপাইসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছ রোপণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৭নং বাদিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাফায়েতুল হক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, ইউপি সদস্য জবেদ আলী, নুর আলম ও প্রদীপ কুমার, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রোমনা বেগম ও প্রতিমা রানী চিশতী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাদিয়াখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৌরভ তৌহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রহমান সুমন, বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ সময় বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি মানুষের জীবন, জীবিকা ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাফায়েতুল হক বলেন, “সবুজ ও পরিচ্ছন্ন বাদিয়াখালী গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে গাছের চারা রোপণ করা হবে। আমরা চাই, প্রতিটি পরিবার বৃক্ষরোপণে অংশগ্রহণ করে পরিবেশ রক্ষার এই সামাজিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করুক।”
স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ইউনিয়নের পরিবেশ উন্নয়ন, সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ আবাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ৯টি ওয়ার্ডে ২ হাজার গাছ রোপণের এই উদ্যোগ এলাকায় পরিবেশবান্ধব সচেতনতা বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।