বগুড়ায় পুলিশ ও সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ইজিবাইক ও অটোরিকশা ছিনতাই কারী চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশ শহরেে চারমাথা ও রংপুরের হারাগাছ থেকে বুধবার তাদের গ্রেপ্তার করেছে।এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি অটোরিকশা, দুটি ওয়াকি-টকি একটি প্রাইভেটকার ও ছয়টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে।
মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মুন্সীগঞ্জের দক্ষিণ চর মশুরা এলাকার মামুন শিকদার (৪০), বরিশালের বাকেরগঞ্জের কবিরাজ দুধল এলাকার মিঠু পাটোয়ারী (৩০), গাইবান্ধা সদরের ব্যাপারীপাড়া এলাকার সুমন মিয়া (৩০), পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বালিপাড়া (বালিয়াতলা) এলাকার জাকির হোসেন (৪০), একই জেলার বাউফলের জৌতা এলাকার নিজাম (৪৬)। রংপুরের হারাগাছ থানার বানুপাড়া এলাকার ওবায়দুল ইসলাম বেগ (৪০) এবং একই এলাকার জাহিদুল ইসলাম (৪২)।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই চুরি ছিনতাই ও দস্যুতার একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
জানা যায়, এই চক্রের সদস্যরা বগুড়ার বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের কখনও পুলিশ, কখনও ডিবি সদস্য, আবার কখনও সাংবাদিক পরিচয় দিতেন। এরপর কৌশলে ইজিবাইক বা অটোরিকশা চালকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কিংবা প্রতারণার ফাঁদে ফেলে যানবাহন ছিনতাই করতেন। ছিনতাইয়ের সময় তারা ওয়াকি-টকি ব্যবহার করে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতেন।
গত ২৫ এপ্রিল টিএমএসএস হাসপাতাল এলাকায় একজন ইজিবাইক চালককে একই কৌশলে প্রতারণা করে তার গাড়ি ছিনতাই হয়। ওই ঘটনায় ৫ মে বগুড়া সদর থানায় মামলা হলে ডিবি পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে বুধবার ভোরে শহরের চারমাথা এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রংপুরের হারাগাছ থানার বানুপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে চারটি ছিনতাইকৃত ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।