মাদারীপুরের কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের (অনার্স) সহকারী অধ্যাপক নাজমুন নাহারের বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গত ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন গণমাধ্যমে "অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থা নাজুক, সচেতন মহলের উদ্বেগ" শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের একটি অংশে তাকে নিয়ে দেওয়া তথ্যকে "মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন" বলে দাবি করে তিনি এই বিবৃতি দেন।
বিবৃতিতে অধ্যাপক নাজমুন নাহার উল্লেখ করেন, ওই সংবাদে তাকে জড়িয়ে "চার বছর যাবৎ ডিপার্টমেন্ট ও ক্লাসে অনুপস্থিত" থাকার যে দাবি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি এই কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করার পর থেকে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং এর ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর তিনি সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন।
তার দাবি অনুযায়ী, দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তার বিরুদ্ধে কখনও কোনো লিখিত অভিযোগ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়নি। তিনি নিয়মিত কলেজে এবং নিজ বিভাগে উপস্থিত থাকেন। তবে কমার্স বিভাগে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না থাকায় অনেক সময় ক্লাসে শিক্ষার্থী শূন্য থাকে, যা তার ব্যক্তিগত অনুপস্থিতি নয়। কলেজের শিক্ষক হাজিরা খাতা পরীক্ষা করলেই তার নিয়মিত উপস্থিতির সত্যতা পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।
বিবৃতিতে তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সাংবাদিকদের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করেছে। এছাড়া দীর্ঘ ৩৯ মাস যাবৎ তার বেতন-ভাতা বকেয়া থাকা সত্ত্বেও তিনি তার অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন। যা তার ব্যাংক একাউন্ট স্টেটমেন্ট দেখলেই সত্যতা প্রমাণ পাওয়া যাবে।
নাজমুন নাহার এই মিথ্যা সংবাদ প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং সঠিক তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর প্রতি সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছেন।