র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ডাকাতি, চাঁদাবাজি, হত্যা, ছিনতাই, অপহরণ ও প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ, মাদক ও সকল ধরণের প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন সমূহ পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্যদের গ্রেফতার করে র্যাব দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশংসনীয় অবদান রেখেছে।

এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০১/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত আনুমানিক ০১:৩০ ঘটিকায় র্যাব- ১০, সিপিসি-২, শ্রীনগর ক্যাম্পের এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মুন্সীগঞ্জের সদর থানাধীন আটপাড়া ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১৪১ (একশত একচল্লিশ) কেজি ওজনের ০১ টি কালো রংয়ের প্রাচীন দুর্লভ কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি, যার অবৈধ আনুমানিক বাজার মূল্য ১,৫০,০০,০০০/- (এক কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা), সহ ০২ (দুই) জন কষ্টি পাথর পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তিটির দৈর্ঘ্য অনুমান ৫০ (পঞ্চাশ) ইঞ্চি এবং প্রস্থ অনুমান ২৪ (চব্বিশ) ইঞ্চি। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নাম ১। মো: ইদ্্িরস চোকদার (৫৪), পিতা- মৃত আজাহার চোকদার, সাং- লক্ষ্মীপুর ফকিরা, থানা- কালকিনী, জেলা- মাদারীপুর এবং ২। মো: আনোয়ার হোসেন (৫২), পিতা- মৃত জামাল হোসেন, সাং- সোনারং, থানা- টুঙ্গীবাড়ি, জেলা- মুন্সীগঞ্জ বলে জানা যায়। এসময় আটককৃত ব্যক্তিদ্বয়ের নিকট হতে তাদের ব্যবহৃত দুটি স্মার্ট ফোন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয় মূর্তি পাচারকারী চক্রের সদস্য। তারা পরস্পর যোগসাজসে একটি চক্রের মাধ্যমে উক্ত বিষ্ণু মূর্তিটিকে বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল। তারা আরো জানায় যে, কষ্টি পাথরের হস্তনির্মিত বিভিন্ন মূর্তি তারা দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন স্থান হতে সংগ্রহ করে বিদেশে পাচার করে আসছিল।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম চলমান এবং এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।